ঢাকা,বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মিলাদ উদযাপন ও অলি-আউলিয়াদের আদর্শ অনুসরণেই নিহিত প্রকৃত শান্তি: সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩:১৪, ১২ অক্টোবর ২০২৬

মিলাদ উদযাপন ও অলি-আউলিয়াদের আদর্শ অনুসরণেই নিহিত প্রকৃত শান্তি: সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ

ছবি: ডেইলি দর্পণ

চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা.) ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উদযাপন উপলক্ষে ৪১তম আজিমুশশান মিলাদ মাহফিল অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

সম্প্রতি উত্তর হালিশহর চৌধুরী পাড়া বাজারে ২৬নং ওয়ার্ডবাসী এবং মইনীয়া যুব ফোরাম (এসকান্দর ভান্ডার ইউনিট-২)-এর যৌথ উদ্যোগে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মাহফিলে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাইজভান্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, আওলাদে রসূল হযরত শাহসুফি মাওলানা ড. সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভান্ডারী (মা.জি.আ)।

মাহফিলে মেহমানে আ'লা ও প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল মাইজভান্ডারী বলেন, ‘পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা.) ও ফাতেহা-য়ে ইয়াজদাহুম আমাদের সার্বজনীন হেদায়েত এবং মানবতার কল্যাণে আত্মনিয়োগের শিক্ষা দেয়। প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান আদর্শ, আহলে বাইতের অনুসরণ ও অলি-আউলিয়াগণের সুফি দর্শনই বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার মূল চাবিকাঠি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সমাজে সংঘাত ও নৈতিক অবক্ষয় রোধ করতে সুন্নাহ ও সুফি আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। যুবসমাজকে ভ্রান্ত আদর্শ ও অপসংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা করতে হলে তাদেরকে নবীপ্রেম, নৈতিক শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের আলোয় উজ্জীবিত করতে হবে। প্রিয়নবী (সা.) ও সুফি সাধকদের দেখানো পথেই রয়েছে মানবজাতির ইহকাল ও পরকালের প্রকৃত মুক্তি।’

বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. মুহাম্মদ ইকবালের সভাপতিত্বে মাহফিলে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাইয়্যিদ সামছুল আলম আল সানজারী মাইজভান্ডারী (মা.জি.আ) এবং হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক নকশবন্দী মোজাদ্দেদী (মা.জি.আ)।

মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে অত্যন্ত মূল্যবান তকরির পেশ করেন তৈয়্যবিয়া মাইজভান্ডারীয়া শেরে বাংলা মডেল মাদ্রাসার (সাতকানিয়া) প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মাওলানা মাহাবুবুল হক নুরে বাংলা কাদেরী।

এছাড়াও বিশেষ আলোচক হিসেবে বিশ্বনবী (সা.)-এর সুমহান জীবনী এবং ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুমের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ্ আল জাবের, হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা ফরহাদ আমিন এবং মাওলানা শফিউল আলম বদরী।

এ সম্পর্কিত খবর