মো. রাসেল হোসাইন
প্রকাশ: ২৩:১৯, ২৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০০:২০, ২৯ জুলাই ২০২৬
ছবি: ডেইলি দর্পণ
ও এবং এ লেভেল সম্পন্ন করার পর বিদেশে উচ্চশিক্ষার একাধিক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আবরার হামীম আপন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আইএলটিএস (IELTS) প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিনি। উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের ভাষা দক্ষতা অর্জন এবং বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ তৈরিতে এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় হিসেবে দেখছেন অনেকেই।
নিজের শিক্ষা-যাত্রা, ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ততা, নিজের ৮.৫ অর্জন ও বিনামূল্যের আইএলটিএস প্রশিক্ষণ উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ডেইলি দর্পণের সঙ্গে কথা বলেছেন আবরার হামীম আপন।
ডেইলি দর্পণ: শুরুতেই আপনার ব্যক্তিগত পরিচয় জানতে চাই। আপনার শিক্ষাজীবন সম্পর্কে বলুন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কী বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন এবং ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পেছনের অনুপ্রেরণা কী ছিল?
আবরার হামীম আপন: আমি ২০১৫ সালে ও লেভেল এবং ২০১৮ সালে এ লেভেল পরীক্ষা শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগে ভর্তি হই। ও লেভেল ইংলিশে আমি দেশের সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করি। এছাড়াও, ও/এ লেভেল উভয় পরীক্ষার জন্যই ডেইলি স্টার অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হই। এর আগে ক্লাস ১০ এ থাকতে ২০১৪ সালে আমি যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থায়নে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে আমেরিকা যাই। যদিও যাওয়ার কিছুদিন পরে আমার বাবা গ্রেপ্তার হয়ে যাওয়ায় (আমার বাবা সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং সিরাজগঞ্জ কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক নির্বাচিত জিএস, ফ্যাসিবাদী আমলে সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে বেশী নির্যাতিতদের একজন) আমি প্রোগ্রাম শেষ না করে দ্রুত দেশে ফিরে আসি।
রাজনীতিতে আসার পিছে আমার মূল মোটিভেশন ছিলো অগণতান্ত্রিক সরকারকে বিদায় করে গণতন্ত্রের পথে দেশকে নেওয়ার আন্দোলনে নিজের ভূমিকা রাখার প্রবল ইচ্ছা। সেই পরিবর্তন বিএনপি বা ছাত্রদলের হাত ধরে আসবে বুঝেছি এবং এটাকেই সবচেয়ে ভালো প্ল্যাটফর্ম বলে বিশ্বাস করেছি যারা সফল না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন থেকে কোনোদিন পিছ পা হবে না। বিএনপির উদারপন্থী গণতন্ত্রের প্রতি কমিটমেন্ট আমাকে সবসময়ই আকৃষ্ট করেছে। এছাড়া আমার বাবার রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে আমি ছাত্ররাজনীতি করার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা পেয়েছি। এ লেভেল শেষ করে বিদেশে না গিয়ে কিংবা বুয়েট/ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়ে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়তে আসার অন্যতম কারণ ছিলো রাজনৈতিক এম্বিশন।

ডেইলি দর্পণ: আপনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আপনার দৃষ্টিতে একটি সুস্থ, ইতিবাচক ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস রাজনীতি কেমন হওয়া উচিত?
আবরার হামীম আপন: আমি মনে করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেই ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি চলে সেটাই সারা দেশে সময়ের সাথে সাথে ছড়িয়ে পরে। তাই আমাদের একটা আলাদা দায়িত্বের জায়গা রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই টোন সেট করে দেয় যে দেশের সামগ্রিক রাজনীতি- বিশেষ করে ছাত্ররাজনী তির গতিপ্রকৃতি কেমন হবে। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আমরা আশা করেছিলাম পজিটিভ পলিটিকাল কালচার শুরু হবে। তবে কিছু সংগঠনের পপুলিস্ট এবং নেগেটিভ প্রোপাগান্ডা-নির্ভর পলিটিক্সের প্রবণতা সেই আশা নষ্ট করেছে।
আমাদের হাতে একটি সুযোগ এসেছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন করে জীবন দেওয়ার- একাডেমিয়া-গবেষণাকে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে শিক্ষক নিয়োগ/প্রমশন, স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট, গবেষণা বরাদ্দ ইত্যাদি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পথে হাঁটা। তবে আমরা সেই লক্ষে খুব বেশি উন্নতি করতে পারিনি। বিশেষ করে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রথম ডাকসু এইসব বিষয় বাদ দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক আখের গোছানো এবং লোক দেখানো কিছু কার্যক্রমের ভিতরেই সীমাবদ্ধ থেকেছে।

ডেইলি দর্পণ: ছাত্রদলের রাজনীতিতে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? আগামী দিনে নিজেকে কোন পর্যায়ের নেতৃত্বে দেখতে চান এবং সুযোগ পেলে শিক্ষার্থীদের জন্য কী কী উদ্যোগ নিতে চান?
আবরার হামীম আপন: ২০১৯ সালে প্রথম বর্ষে ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করার পর থেকেই তেমন চাওয়া পাওয়ার কিছু ছিলো না। শুধু ফ্যাসিবাদ বিদায়ে নিজের ভূমিকা রাখবো আর ইতিহাসের অংশ হবো সেই ইচ্ছা ছিলো। ১৪ জুলাই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাসিনাকে স্বৈরাচার আখ্যা দিয়ে ভিসি চত্ত্বরে প্রথম স্লোগান ধরি আমি। এরপর দিন আমাদের সিরাজগঞ্জের বাড়িতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ভাংচুর চালায়, অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে।
৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে পরিবর্তনের যেই সুযোগ আমাদের হাতে এসেছে, এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন এই সরকার যেই পথে হাঁটছে, সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মান করতে চাইলে সবচেয়ে বেশী অগ্রাধিকার দিতে হবে আমাদের শিক্ষায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সেই ক্ষেত্রে পথ দেখাতে হবে। আমি মনে করি, প্রশাসন এবং সরকারের সাথে আলোচনা এবং চাপ প্রয়োগ করতে এখানে ছাত্রদলই অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে। প্রকৃত অর্থে আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মানে মিনিংফুল ভূমিকা রাখতে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বেই আসতে চাই। তবে দল যদি মনে করে আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সাড়িতে ভূমিকা রাখা এবং জীবনের সোনালী সময় বিলিয়ে দেওয়া সিনিয়র এবং অভিজ্ঞ ব্যাচগুলো থেকে মূল নেতৃত্ব নির্বাচন করবে সেক্ষেত্রে আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে। আমি আমার যায়গা থেকে আমার মত করে কিছু করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
ডেইলি দর্পণ: সম্প্রতি আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে আইএলটিএস প্রশিক্ষণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এই উদ্যোগ নেওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য কী? এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং শিক্ষার্থীরা কীভাবে এতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন?
আবরার হামীম আপন: 'ফ্ল্যাগশিপ আইইএলটিএস সেলফ-প্রেপ গাইড' হলো আমার উদ্দোগ 'প্রজেক্ট আপলিফট ডিইউ'-এর অধীনে প্রথম প্রোগ্রাম। এটি কোনো প্রথাগত আইইএলটিএস (IELTS) কোচিং কোর্স নয়; বরং এটি একটি প্রাথমিক নির্দেশিকা বা গাইড। এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের আইইএলটিএস পরীক্ষা, এর বিভিন্ন অংশ ও মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং সঠিক রিসোর্স ও কৌশল ব্যবহার করে কীভাবে তারা ঘরে বসে নিজেই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারেন, তা বুঝতে সহায়তা করা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভালো মানের শিক্ষার্থী থাকলে তা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিংয়ে পয়েন্ট অর্জনে সহায়তা করে। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও অর্থায়নের মাধ্যমে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেতে সহায়তা করতে চাই; এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত হবে।

এই কোর্সটি প্রথাগত কোচিংয়ের পরিবর্তে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। অনেক শিক্ষার্থী কেবল কোথা থেকে শুরু করতে হবে তা না জানার কারণে সময় ও অর্থ অপচয় করেন। আমাদের লক্ষ্য হলো তাদের একটি স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা বা 'রোডম্যাপ' দেওয়া, যাতে তারা নিজেরাই কার্যকরভাবে প্রস্তুতি নিতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট—সবাই বিনামূল্যে এই কোর্সে অংশ নিতে পারবেন। সেশন গুলো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তর পর্বেরও একটি ব্যবস্থা করা হবে। আগস্ট এর ৫ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন ঢাবির যেকোনো শিক্ষার্থী। যারা আগামী বছর বিদেশে উচ্চশিক্ষা শুরু করতে চায়, তাদের জন্য ইংরেজি ভাষার পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করার এটাই সঠিক সময়, আর তাই আমরা এই মাসে কার্যক্রমটি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আমাদের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যটি আমাদের স্লোগানেই ফুটে উঠেছে: 'প্রজেক্ট আপলিফট ডিইউ: একাডেমিক রেনেসাঁ বা নবজাগরণের পথে'। এটি আমাদের শুরু মাত্র। আমরা অ্যাকাডেমিক দক্ষতা, গবেষণা, নেতৃত্ব, যোগাযোগ, ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখে এমন অন্যান্য ক্ষেত্রের উপর আরও প্রোগ্রাম আয়োজন করার পরিকল্পনা করছি। আমরা প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য প্রচারণা শুরু করতে এবং তা চালিয়ে যেতেও আগ্রহী। আমাদের ভিশন আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব র্যাংকিং গুলোতে নিয়মিতভাবে ৩০০-৪০০ এর ভিতরে দেখা।
ডেইলি দর্পণ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর বর্তমান মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে। আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা কি আপনার রয়েছে? যদি থাকে, তাহলে কোন পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা রয়েছে এবং নির্বাচিত হলে আপনার অগ্রাধিকার কী হবে?
আবরার হামীম আপন: এবারের ডাকসু নিয়ে এখনো সেভাবে ভাবিনি। তবে আমরা যারা ছাত্ররাজনীতি করি, ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার একটি ইচ্ছা তো সবসময় থেকেই যায়। পাশাপাশি ডাকসুর শীর্ষ নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে থাকতে পারলে যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্ন দেখে 'প্রোজেক্ট আপলিফট ডিইউ' শুরু করেছি তা বিনির্মানে ভূমিকা রাখা সম্ভব ও সহজতর হবে বলে বিশ্বাস করি। ছাত্রদল আমাকে যোগ্য মনে করলে এবং মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করার জন্য আমি প্রস্তুত রয়েছি এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করবেন।
ডেইলি দর্পণ: সবশেষে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আপনার বার্তা কী?
আবরার হামীম আপন: ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আমার বক্তব্য থাকবে এই যে, দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা কঠিন থেকে কঠিনতর লড়াই-সংগ্রাম করেছি। তবে জুলাই আন্দোলনের পরবর্তীতে আমাদের নিয়ে নেতিবাচক ধারণা জনমনে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মনে সুকৌশলে ঢোকানোর একটি চেষ্টা চলমান রয়েছে। আগামীর বাংলাদেশের নতুন ধারার পজিটিভ ছাত্ররাজনীতি এবং শিক্ষাখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনে ভূমিকা রেখে আমরা তাদের সেই প্রোপাগান্ডা-নির্ভর পপুলিস্ট পলিটিক্স বন্ধ করে দিতে চাই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ করবো কারও ফাঁদে বারবার পা না দিয়ে, বিচার বিশ্লেষণ করে উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পাশে আপনারা থাকবেন। কোন ভুল করলে তা ধরিয়ে দিবেন, এটা আপনাদের সংগঠন, আপনাদের কথা বলার জন্যই এই সংগঠন সৃষ্ট। তবে অসত্য কিংবা টুইস্টেড প্রোপাগান্ডা থেকে সতর্ক থাকবেন। পপুলিস্ট পলিটিক্সকে লাল কার্ড দেখাবেন। আপনারা যা করবেন তার উপরেই নির্ধারিত হবে সারা বাংলাদেশের মানুষ কী করবে। তাই আমাদের, আপনাদের সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব র্যাংকিংয়ে টপ ৩০০ তে আগামি কয়েক বছর সময়ের ভিতরে নিয়ে যাওয়া কিংবা সেই মহাসড়কে বিশ্ববিদ্যালয়কে তুলে দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত আমার “প্রজেক্ট আপলিফট ডিইউ” কে আপনারা সমর্থন এবং সহযোগিতা করবেন সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
ডেইলি দর্পণ: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আবরার হামীম আপন: আপনাকেও ধন্যবাদ।