জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩:০৬, ৪ নভেম্বর ২০২৬
অধ্যাপক ড. এ টি এম শাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ টি এম শাখাওয়াত হোসেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং জিওলজি অ্যান্ড দ্য এনভায়রনমেন্টের (আইএইজি) এশিয়া অঞ্চলের ২০২৭-৩০ মেয়াদের নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) অনলাইন ও অফলাইনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সংগঠনটির কার্যক্রম সম্পর্কে অধ্যাপক ড. এ টি এম শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং জিওলজি অ্যান্ড দ্য এনভায়রনমেন্ট (আইএইজি) মূলত ভূতাত্ত্বিক জ্ঞান কাজে লাগিয়ে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কাজ করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গবেষণাকে কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর লক্ষ্যেই ২০১৭ সালে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। সম্প্রতি সদস্য দেশগুলোর সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বাংলাদেশ এই সংস্থার আঞ্চলিক নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছে। এর ফলে এখন থেকে আশপাশের ১০ থেকে ১৫টি দেশের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিবেশ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।’
নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- প্রেসিডেন্ট অ্যান উইলিয়ামস (নিউজিল্যান্ড), সেক্রেটারি জেনারেল শেংওয়েন চি (চীন), ট্রেজারার জঁ-আলাঁ ফ্লোরিসন (ফ্রান্স), ভাইস প্রেসিডেন্ট (আফ্রিকা অঞ্চল) লিন্ডি রিচার (দক্ষিণ আফ্রিকা), ভাইস প্রেসিডেন্ট (অস্ট্রালেশিয়া অঞ্চল) রস রবার্টস (নিউজিল্যান্ড), ভাইস প্রেসিডেন্ট (ল্যাটিন আমেরিকা অঞ্চল) আলেজান্দ্রা সেরি আমাদর (চিলি), ভাইস প্রেসিডেন্ট (উত্তর আমেরিকা অঞ্চল) নিকোলাস ভ্লাচোপোলোস (কানাডা), ভাইস প্রেসিডেন্ট (ইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং জিওলজিস্টস) স্ট্র্যাটিস কারান্তানেলিস (গ্রিস), ভাইস প্রেসিডেন্ট (ইউরোপ অঞ্চল) দানিয়েলে জিওর্দান (ইতালি) এবং হ্যারিস সারোগ্লো (গ্রিস)।
উল্লেখ্য, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং জিওলজি অ্যান্ড দ্য এনভায়রনমেন্ট (আইএইজি) প্রকৌশল ভূতত্ত্ব, পরিবেশ এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে কাজ করা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বৈজ্ঞানিক অলাভজনক সংস্থা। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থার সঙ্গে বিশ্বজুড়ে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি প্রকৌশলী, ভূতত্ত্ববিদ ও বিজ্ঞানী যুক্ত রয়েছেন। সংস্থাটির অধীনে বিভিন্ন দেশে প্রায় ৭০টি জাতীয় গ্রুপ বা শাখা রয়েছে।