ফারুক হোসেন
প্রকাশ: ২১:০৮, ৮ নভেম্বর ২০২৫
ছবি: ডেইলি দর্পণ
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ) আসনের বিএনপির দলীয় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অন্তঃকোন্দল চলছিল। এ আসনে ৭ জন নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত এ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।
শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর মতলব উত্তরের ছেংগারচর স্কুল মাঠে জাতীয বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশে দলের মনোনীত প্রার্থী ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন প্রধান অতিথি ছিলেন।
ওই সমাবেশে উপস্হিত ছিলেন মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. শামিম, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ন সম্পাদক ব্যারিষ্টার ওবাদুর রহমান টিপু, কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি আজারুল হক মুকুল। ওই তিন প্রার্থী নিজের মধ্য দূরত্ব কমিয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তকে স্বাগতম জানিয়ে দলীয় ধানের শীষ প্রতীক হাতে নিয়ে সকল নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই নির্বাচনে কোনো ভেদাভেদ নয়, আমাদের লক্ষ্য একটাই- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার ফেরানো। মনোনীত প্রার্থীকে বিজয় নিশ্চিত করা।
সমাবেশে পৌর বিএনপি সভাপতি নান্নু মিয়া প্রধানের সভাপতিত্বে, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মনজুর আমিন স্বপনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা যারা বিএনপি করি, সবাই এক পরিবারের সদস্য। কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যেতে হবে। মহান রাব্বুল আমাকে নির্বাচিত করে তাহলে শুধু এমপি নয়, জনগণের সেবক হিসেবে আমৃত্যু কাজ করতে চাই। আবারও নিজেকে জনগণের সেবক হিসেবে উৎসর্গ করতে সকলের কাছে দোয়া চাচ্ছি। এইসম উপজেলা ও পৌর বিএনপি ও বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বক্তব্য দেন।’
চাঁদপুর-২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে দলের বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. শামীম, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শুক্কুর পাটোয়ারি, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ন সম্পাদক ব্যারিষ্টার ওবাদুর রহমান টিপু, জেলা বিএনপির যুগ্ন সহ-সাধারন সম্পাদক তানভীর হুদা, জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক সরকার মাহবুব আহমেদ শামিম, কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি আজারুল হক মুকুল গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন পেলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন।